৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, আহত ৩মেঘনার বুকে নতুন চর, স্বপ্ন সবুজ বিপ্লবেরকুমিল্লা হোমনার কৃতিসন্তান ডক্টর মনজুরুল ইসলাম বৃটেনের উলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানকুমিল্লার হোমনায় ইউএনও রুমন দে কে বিদায় সংবর্ধনা দিলেন স্কুল ও মাদ্রাসাকুমিল্লার বুড়িচংয়ে স্কুল ছাত্র রায়হান হত্যার প্রধান আসামি জামালপুর থেকে গ্রেফতারকুবিতে ইংরেজি বিভাগের নবীন বরণবই পৌঁছাতে দেরি হলে ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শঃ দীপু মনিনির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে নাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীনোয়াখালীর চৌমুহনীতে আগুনে পুড়ল ১০ দোকানমনোহরদীতে হাত-পা বাঁধা অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

সিএনজি চুরি করে ভুয়া ডিজিটাল নম্বর প্লেট বসিয়ে বিক্রি করত তারা

১৩৫
header

কুমিল্লা-চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চোরাই সিএনজি এনে রঙ করে, ভুয়া ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও কাগজপত্র তৈরি করে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকায় রাজধানীতে বিক্রি করে আসছিল একটি চক্র। এই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে চক্রটির মূল হোতা শাহ আলম এখনও পলাতক। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

বুধবার (৩ মার্চ) রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় শাহ আলমের গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- চালক শাহ আলম (৪২) ও টেকনিশিয়ান মো. জামাল (৩৫)

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডির সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডি ঢাকা মেট্রোর অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক।

তিনি বলেন, গ্রেফতার আসামিরা আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলে চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।

শেখ ওমর ফারুক বলেন, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে শাহ আলমের গ্যারেজে চোরাই সিএনজি বিক্রি হয়। সেখানে সিএনজিগুলো আনার পরে ঘষামাজা করা হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে গ্যারেজটিতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে গ্যারেজের মালিক এখনও পলাতক। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চোরাই অটোরিকশাগুলোর উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, এ গ্যারেজ থেকে আমরা পাঁচটি সিএনজি জব্দ করেছি। এগুলো কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা থেকে সংগ্রহ করে চক্রটি। এ এলাকা থেকে চোরাই সিএনজি প্রথমে ঢাকার কাঁচপুরে আসে। কাঁচপুর থেকে সিএনজি চালিয়ে নিয়ে আসা হয় শাহ আলমের গ্যারেজে।

অতিরিক্ত ডিআইজি আরও বলেন, গ্যারেজে আনার পরে ভুয়া নম্বর প্লেট দেয়া হয়। তার পরে রঙ করে বিক্রি করা হয়। শাহ আলম গত দুই মাসে ১৫-২০টি চোরাই সিএনজি এনে বিক্রি করেছেন। এই চোরাই সিএনজিতে যে নম্বর প্লেট আছে তা বিআরটিএর নম্বর প্লেট নয়। তাছাড়া এসব সিএনজির সব কাগজ ভুয়া।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ভুয়া নম্বর প্লেটের সিএনজি দিয়ে ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম করা সহজ হয়।

তারা কীভাবে এই ভুয়া ডিজিটাল নম্বর প্লেট তৈরি করেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিআইডি কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদের ধরতেও অভিযান চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার খালিদুল হক হাওলাদার, সহকারী মোহাম্মদ জহিরুল হক ও এএসপি (মিডিয়া) জিসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

After Related Post