১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৭ জেলের কারাদণ্ড

নগর বাংলা২৪ ডট কম:
header

নগরবাংলা নিউজ ডেস্ক।।

বরগুনার পায়রা ও বিষখালী নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অপরাধে পৃথক অভিযানে সাত জেলেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নূর।

দণ্ডিত জেলেরা হলেন- বরগুনার বেতাগী উপজেলা দক্ষিণ কালিকাবাড়া এলাকার জেলে মো. ইউনুস (৩৫), একই এলাকার মো. পনু মিয়া (৪৫), মো. ইমরান (২০), তালতলী উপজেলার আগাপাড়া এলাকার মো. সুলাইমান (২০), একই এলাকার মো. দেলোয়ার (১৯), একই উপজেলার বড় অংকুজান পাড়া গ্রামের মোশাররফ (২৫) ও তেঁতুল বাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর (৫০)।

বরগুনা জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, আশ্বিন মাসের বড় পূর্ণিমায় মা ইলিশ সবচেয়ে বেশি ও পরিপক্ব ডিম ছাড়ে। ওই বড় পূর্ণিমার দিন পড়েছে ৯ অক্টোবর। আবার একই মাসের অমাবশ্যায় বেশি ও পরিপক্ব ডিম ছাড়ে মা ইলিশ। ওই অমাবশ্যার দিন পড়েছে ২৪ অক্টোবর। এ কারণে বড় পূর্ণিমা ও অমাবশ্যার তারিখ ঠিক রেখে সরকার ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। আর এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরগুনার পায়রা ও বিষখালী নদীতে মাছ শিকারের অপরাধে সাত জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম জানান, ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগের একটি টিম পায়রা নদীতে অভিযানে নামে। পরে রাতব্যাপী মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভোরের দিকে ১০০ কেজি বরফ ও ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। মাছ ধরার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় নদী থেকে চারজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে আমরা নদীতে টহলরত অবস্থায় বিষখালী নদী থেকে তিন জেলেকে আটক করি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফয়সাল আল নূর তাদের প্রত্যেককে একমাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

After Related Post