৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ধরে নিয়ে হত্যার দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবনগৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, সাবেক আ’লীগ নেতার গোপনাঙ্গ কেটে হত্যাপ্রতারণা করে হাতিয়েছেন ৬ কোটি টাকা, গড়েছেন দোকান-ফ্ল্যাট ব্যবসাকুমিল্লায় ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারকুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিপদজনক হয়ে উঠছে সড়কে দাপিয়ে বেড়ানো অটোরিকশাকুমিল্লা বুড়িচংয়ে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে চারা রোপণ,কমে আসছে সময় ও খরচবুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশনোবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদত্যাগসময় টিভির বার্তা প্রধাণের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশকুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কের পাশ থেকে প্রতিবন্ধির মরদেহ উদ্ধার

গার্ড অব অনার দেয়া হলো বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরীকে

৬৯
header

ঢাকাই সিনেমার মিষ্টি মেয়ে কবরীর মরদেহ এখন বনানী কবরস্থানে৷ সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি৷ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা এ তারকার দাফনকাজে মানা হচ্ছে কড়া স্বাস্থ্যবিধি।

১৭ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কবরীর মরদেহ বনানী কবরস্থানে নিয়ে আসা হয়৷ সেখানে বাদ জোহর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে কবরীকে। তার আগে মুক্তিযুদ্ধে এ নায়িকার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়েছে৷

কবরী ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন মাত্র ১৪ বছরে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান তিনি। সেখান থেকে পাড়ি জমান ভারতে। কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন কবরী। সেসব নিয়ে তার অনেক স্মৃতি রয়েছে। যা তিনি তুলে ধরেছেন তার লেখা বইতেও।

প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল। বেড়ে উঠেছেন সংস্কৃতির চর্চাকে সঙ্গী করে।

১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন কবরী। তারপর টেলিভিশন ও সবশেষে আসেন সিনেমায়।

কবরী ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন।

ব্যক্তিজীবনে কবরী বিয়ে করেন চিত্ত চৌধুরীকে। সে দাম্পত্যজীবন ভেঙ্গে যায়৷ পরে ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন সফিউদ্দীন সরোয়ারকে। ২০০৮ সালে তাদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। কবরী ছিলেন পাঁচ সন্তানের জননী।

After Related Post