১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স লাইব্র্রেরী উদ্বোধন করেনঃ এমপি বাহারলালমাইয়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণঃ অশ্লীল ছবি ধারণ করে চাঁদা আদায়, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ২নোয়াখালীতে ভেঙে পড়ল নির্মাণাধীন বিদ্যালয়ের ছাদকুমিল্লার মুরাদনগরে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবাসার কাচের জানালায় ও প্লাস্টিকের বোতলে প্রকৃতির সব নান্দনিক দৃশ্যকুমিল্লার আমতলী থেকে ২৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটককুমিল্লার ক্যান্টনমেন্ট থেকে গাঁজাসহ ০৩ জন গ্রেফতারচক্রান্তকারীরা চেতনা নষ্ট করার চেষ্টা করছেঃ এমপি বাহারনবজাতক ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি, তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন কারাগারে

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা!

নগর বাংলা২৪ ডট কম:
১৮
header

নেকবর হোসেন।।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের গাফলতির কারনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

সোমবার সন্ধ্যায় কলেজের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের ডেকে এমন অভিযোগ করেন ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

পরীক্ষার্থী সামিয়া সুলতানা ও ইমন সাহাসহ শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করার পর মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ দিপু মনি ম্যাডাম আমাদেরকে এখানে ভর্তি করান। পরে যখন আমরা দেখি যে বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজের নামে আমাদের ভর্তির ম্যাসেজ আসছে, তখন তাকে জিজ্ঞেস করলে বলে মাইলস্টোন হলো বরকোটা কলেজের দ্বিতীয় শাখা। মাইলস্টোনে মাসিক দুই হাজার টাকা বেতনসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক টাকা পরিশোধ করেছি আমরা। এখন এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করার শেষ সময়ে আমাদেরকে বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজে যেতে বলেন দিপু মনি ম্যাডাম। সোমবার সেখানে গেলে ওই কলেজের অধ্যক্ষ আমাদের দুই বছরের বেতনসহ অন্যান্য ফি বাবদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে বলে জানায়। সেগুলো পরিশোধ করা হলে আমাদের ফরম পূরণ করার সুযোগ দিবে। তাহলে আমরা মাইলস্টোনে যে টাকা পরিশোধ করেছি সেগুলো কোথায় গেলো? এখন আমরা এতো টাকা কোথায় পাবো? আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি কিনা বুঝতে পারছি না। আমরা বোর্ড নির্ধারিত ফি দিয়ে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।

মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ দিপু মনি বলেন, বরকোটা কলেজের অধ্যক্ষের মৌখিক অনুমতি নিয়েই এখানে শিক্ষার্থীদের ক্লাশ করিয়েছি। এখন ফরম পূরণের সময় প্রতি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরনে প্রায় ৪০ হাজার টাকা দাবী করছে। এতো টাকা পরীক্ষার্থীরা দিতে পারছে না বলেই একটু সমস্যা হচ্ছে।

বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, বরকোটা কলেজের নামে কাউকে পাঠদানের অনুমতি দেয়ার প্রশ্নই উঠে না। ২৩ জন পরীক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হওয়ার পর দুই বছরের বেতন, সেসন ফি, মুল্যায়ন ফি, এ্যাসাইনমেন্ট ফি জরিমানাসহ অনুসাঙ্গিক প্রায় ৪০ হাজার টাকা কলেজে বকেয়া। দুই বছর তারা কোথায় বেতন দিয়েছে সেটা আমার দেখার বিষয় না। শিক্ষার্থীদের বলেছি অভিভাবক নিয়ে আসতে, আলোচনা করে সমাধান করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীর কাছ থেকে বিষয়টি শুনেছি। পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ নিশ্চিত করতে উভয় প্রতিষ্টান প্রধানের সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করবো। আর শিক্ষার্থীদের সাথে কোন ধরনের প্রতারনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

After Related Post