৭ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কারওয়ান বাজারে হোটেলে খাবার পরিবেশন করায় জরিমানা

নগর বাংলা২৪ ডট কম:
৬১
header

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দুটি হোটেলের ভেতরে লোকজনকে খাবার পরিবেশনের অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
লকডাউন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (৫ এপ্রিল) মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ হোসেনের নেতৃত্বে কারওয়ান বাজারের প্রধান সড়ক থেকে সব অবৈধ ভাসমান দোকান অপসারণ করা হয়েছে।

এ সময় সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ১৮ জনকে ১ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি হার্ডওয়্যারের দোকান খোলা রাখায় ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং ফুটপাতে মালামাল রাখার জন্য দুজনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া রাস্তায় পেঁয়াজ মজুত করায় তা জব্দ করে ৪ হাজার ২০০ টাকা নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

এদিকে মহাখালী অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে গুলশান-১, ২ এবং মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয়।

মিরপুর-১০ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে মিরপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় সংক্রমণ ব্যাধি (প্রতিরোধ, প্রতিকার ও নির্মুল) আইন ২০১৮ এর ২৫ (১) ধারায় নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে ১৫টি মামলায় মোট ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে নিকুঞ্জ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় তিনটি মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হরিরামপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিনের নেতৃত্বে উত্তরা সেক্টর ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ এর সোনারগাঁও জনপদ এভিনিউ, শাহ মখদুম এভিনিউ, গাউসুল আজম এভিনিউ রোডসহ বিভিন্ন রোডে লকডাউন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাইকিং কোরে জনগণকে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধানের বিষয়ে এবং অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হয়।

এ সময় দেখা যায়, রাস্তায় বের হওয়া অধিকাংশ লোক মাস্ক পরে বের হয়েছেন। অভিযান চলাকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ৫০টি মাস্ক বিতরণ করা হয়। ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে মালামাল রাখায় একটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

দক্ষিণখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট হাজি ক্যাম্প এলাকায় সাতটি মামলায় মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পার্সিয়া সুলতানার নেতৃত্বে অঞ্চল ১০ এর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মাছের বাজার, কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযানকালে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সচেতন করা হয় এবং মাস্ক বিতরণ করা হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অপরাধে তিনজনকে জরিমানা করা হয়। এছাড় রাস্তার চলাচলরত জনগণকে মাস্ক সঠিকভাবে পরার পরামর্শ দেয়া হয়, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সতর্ক করা হয়।

উত্তরখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবেদ আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট চারটি মামলায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করে।

সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ভাটারা অঞ্চলের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোট ছয়টি মামলায় ১২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য জনগণকে সচেতন করা হয়।

নিরীক্ষা কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসির উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট মিরপুরের ইব্রাহিমপুরে ৮টি মামলায় মোট ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

After Related Post