৮ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আইনের তোয়াক্কা না করে দাউদকান্দিতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই কোথাও

নগর বাংলা২৪ ডট কম:
header

নিউজ ডেস্ক।।

মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ও মৃত্যুর হার কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার ঘোষিত আগামী মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত সীমিত আকারে লকডাউন ও তার পরের সপ্তাহে আরো কঠিন লকডাউন ঘোষনা করে মানুষের করোনা ঝুঁকি ও নিরাপওার কথা চিন্তা করে সপ্তাহ ব্যাপী কর্মসূচি দিয়ে মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সুশীল সমাজ৷

দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রচার করছে ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন৷ করোনা মুক্ত দেশ গড়ুন৷ অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না৷সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন৷নিয়মিত মাস্ক পড়ুন৷সরকার বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধির পরামর্শ দিয়ে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছে৷ পাশাপাশি আক্রান্ত মানুষকে স্থানীয় ডাক্তাররা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিয়ে চলছে৷ তারপরও মানুষ অসচেতন৷যত্রতত্র ইচ্ছামত ঘুরা ফেরা,অপ্রয়োজনে বাইরে যাওয়া৷

গত ২৫ এপ্রিল রবিবার সরকার ১০টা থেকে বিকাল ৮ টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেওয়ার ঘোষনা দেয়৷ ঘোষনার পর পরই গোঁটা দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দোকানপাট খুলে ব্যবসায়ীরা বেঁচা কিনা শুরু করে৷ সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে দাউদকান্দি পৌরসদর,গৌরীপুর বাজার ইলিয়টগঞ্জসহ বিভিন্ন ছোট বড় মিলিয়ে ১০/১৫ হাট-বাজার সর্বত্রই আগের মতো স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্টান খোলা হয়েছে৷ রাস্তায় মানুষের জনসমাগন আগের চেয়ে বেশী বেড়েছে৷ মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে৷মনে হয় না করোনা ভাইসার দাউদকান্দি উপজেলাতে আছে৷

অথচ দাউদকান্দি করোনা আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বড় বড় বাজার গুলোতে দেখা যায়, কোন দোকানে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই৷ ক্রেতা সাধারণ দোকানে অবাধে প্রবেশ করে স্বাভাবিক নিয়মে কেনাকাটা করছে৷ গাদাগাদি করে মানুষের ভীড়ের মধ্যে দোকানীরাাপন্য বিক্রি করছে৷একই চিত্র মাছ বাজার ও তরকারি বাজারে৷ কোন জায়গায় নিরাপদ দুরত্ব মানছে না কেউ৷ স্বাস্থ্যবিধি নিয়ম কানুন না মেনেই চলছে ব্যাবসা প্রতিষ্টান৷

After Related Post